শিরোনাম

ফেব্রুয়ারিতেই ভ্যাকসিন পাওয়ার আশা বাংলাদেশের

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: নভেম্বর ২৫, ২০২০ ১০:০৩ অপরাহ্ণ
Print Friendly and PDF
Spread the love

আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন হাতে পাওয়ার আশা করছে বাংলাদেশ। গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনস-গ্যাভ ‘র দেয়া আশ্বাসের উপর ভিত্তি করে এ কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মা, শিশু ও কৈশোর স্বাস্থ্য কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর ডা. মো. শামসুল হক।

প্রাণঘাতী ও সংক্রামক ব্যাধি থেকে দরিদ্র দেশগুলোর শিশুদের জীবনরক্ষায় টিকা প্রদানে ভূমিকা রেখে আসা এই আন্তর্জাতিক জোট বিশ্বের নিম্ন ও মধ্য আয়ের ৯২টি দেশকে করোনাভাইরাসের টিকা সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে। তার অংশ হিসেবে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশের জন্য টিকা সরবরাহ করবে তারা।

একজন মানুষ দুই ডোজ করে টিকা পাবেন। সেই হিসাবে বাংলাদেশের জনসংখ্যার ২০ শতাংশের জন্য গ্যাভির কাছ থেকে ৬ কোটি ৮০ লাখ ডোজ টিকা পাওয়া যাবে বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মা, শিশু ও কৈশোর স্বাস্থ্য কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর ডা. মো. শামসুল হক জানিয়েছেন।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘যারা আগে জাতীয় ভ্যাকসিন বিতরণ পরিকল্পনা জমা দেবে তারাই আগে ভ্যাকসিন পাবে। গ্যাভি যখন থেকে পরিকল্পনা জমা নেয়া শুরু করবে, আশা করছি আমরা প্রথম দিনই আমাদের পরিকল্পনা জমা দিতে পারব।’

পরে এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম বলেন, ‘জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে আমরা এসব টিকা পেতে পারি। এটা একটা সম্ভাবনা। আমরা ভারতের সাথে যে চুক্তি করেছি সেখান থেকে তিন কোটি ডোজ টিকা পাব। আর আমাদের মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশের টিকা গ্যাভি আমাদের সরবরাহ করবে। তারা বলেছে, এই জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির মধ্যেই পেয়ে যাবেন। তবে নির্ধারিত দিন-তারিখ বলতে পারব না।’

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকা করোনাভাইরাসের যে টিকা তৈরি করছে, তার উৎপাদনের সাথে যুক্ত হয়েছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া। ওই টিকার তিন কোটি ডোজ কিনতে চলতি মাসের শুরুতে সেরাম ইনস্টিটিউট ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের সাথে চুক্তি করেছে সরকার।

প্রমিজ নিউজ/ছানাউল্লাহ মাহমুদ