শিরোনাম
বরগুনার আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের কাউনিয়া ও আমতলী
সদর ইউনিয়নের মহিষডাঙ্গা গ্রামের মধ্যেবর্তী চাওড়া খালের ফরিদ মালাকার বাড়ী সংলগ্ন
আয়রন ব্রিজটি বৃহস্পতিবার দুপুরে ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পরেছে। এতে
ভোগান্তিতে পরেছে দুই ইউনিয়নের ১০ গ্রামের ২০ হাজার মানুষ। দ্রæত ব্রিজ নির্মাণের
দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
জানা গেছে, ২০০৪ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ কাউনিয়া গ্রামের চাওড়া খালের
ফরিদ মালাকার বাড়ী সলগ্ন স্থানে এক কোটি টাকা ব্যায় করে ৩৫০ মিটার আয়রণ ব্রিজটি
নির্মাণ করে। নির্মাণের ১৮ বছরের মাথায় ব্রিজটির মাঝখানের অংশ ভেঙ্গে খালে পড়ে গেছে ।
এ ব্রিজটি দিয়ে চাওড়া ইউনিয়নের কাউনিয়া , চন্দ্রা, আমতলী সদর ইউপির মহিষডাঙ্গা ,
চলাভাঙ্গা, নাচনা পাড়া , হলদিয়া গ্রাম, কাউনিয়া ইব্রাহিম একাডেমি ,কাউনিয়া সরকারী
প্রাথমিক বিদ্যালয় , মহিষডাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,পশ্চিম চিলা আমিনিয়া ফাজিল
মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের এই ব্রিজদিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করতে হয় এবংপুর্ব
আমতলী, ভায়লাবুনিয়া এলাকার প্রায় ২০ হাজার মানুষ এই ব্রিজ দিয়ে উপজেলা সদরের সাথে
চলাচল করে থাকে।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়,ওই আয়রণ ব্রিজটির মধ্যের অংশ ভেঙ্গে খালে পড়ে পানিতে ভাঙ্গা অংশ
তলিয়ে রয়েছে। ব্রিজটি দিয়ে মানুষজন পারাপার হতে পারছেনা।
মহিষডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্ধা মো.সোহেল বলেন, বলেন, এ ব্রিজটি ভেঙ্গে পড়ায় দুই
ইউনিয়নের ১০টি গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আল মামুন বলেন, আয়রণ ব্রিজটি ভেঙ্গে যাওয়ার সংবাদ পেয়ে
সেখানে লোক পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি যথাযত কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য
পাঠানো হবে।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, ভাঙ্গা ব্রিজ এলাকা পরিদর্শন
করে মানুষের যাতে দুর্ভোগ পোহাতে না হয় সেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।