শিরোনাম
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক মনোনয়ন চেয়ে রবিবার দুপুরে আমতলী
সাংবাদিক ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আমতলী উপজেলা আওয়ামী তৃনমুল লীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ ইব্রাহীম খলিল সজল
মোল্লা।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন আমি জন্মগত ভাবে আওয়ামী পরিবারের সন্তান। আমার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা ও আড়পাঙ্গাশিয়া
ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ২৬ বছর যাবৎ আওয়ামী সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৭ বছর যাবৎ ইউনিয়ন আওয়ামী-লীগ এর সিনিয়র
সহ-সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করিয়া আসছিলেন। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় তিনি গত ২৮ জুন ২০২০ ইং তারিখ হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে
পরলোক গমন করেন। আমরা আওয়ামী-লীগ পরিবারের সদস্য হওয়ার কারনে বিগত দিনে ১৯৯২-১৯৯৬ সালে বিএনপি জোট সরকারের আমলে
বিভিন্ন মামলা/হামলার স্বীকার হই। যাহা আমতলী থানায় রেকর্ডভূক্ত আছে। আমি ০১/০১/১৯৯৩ সালে মামলা চলাকালিন সময়ে
বাংলাদেশ সেনাবাহীনিতে চাকুরী পাই। যাহা ডিএসবি বরগুনা পুলিশ ভেরিফিকেশনে রাজনৈতিক মামলা উল্লেখ আছে। ২০০১ সালে
বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর ২৮ আগষ্ট ২০০৩ ইং তারিখ আমাকে ছুটি ব্যতিত অনুপস্থিত থাকার কারনে চাকুরী থেকে বরখাস্ত করেন।
আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে চাকুরীতে পুনঃবহালের জন্য আবেদন করিলেও কোন সুফল আসেনি। আমি বা আমার পরিবার
কোনদিন আওয়ামী-লীগের বিদ্রোহী হইনি বরং ৯০ এর গন আন্দোলন, ৯৬ এর অবৈধ তত্ত¡াবধায়ক বাতিলের বিরুদ্ধে আন্দোলন, লগি
বৈঠার আন্দোলনে আওয়ামী-লীগের দুর্দিনে আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রনী ভূমিকা পালন করে আসছি। অদ্যবদী একনিষ্ঠ ভাবে আওয়ামী-
লীগের সক্রিয় কর্মী হিসাবে কাজ করে আসছি।
তিনি আরো বলেন, আমি আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের আওয়ামী-লীগের সদস্য এবং সর্বশেষ কমিটিতে ১নং ওয়ার্ডে
সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক হিসেবে আছি। বাংলাদেশ আওয়ামী তৃনমুল লীগের উপজেলা সাধারন সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করে
আসছি। নব্য আওয়ামী-লীগের কালো টাকা এবং প্রভাবশালীদের কমিটির কারনে গুরুত্বপূর্ণ কোন পদ পাইনি। তবুও আমি স্বার্থক
আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং আমরা আওয়ামী-লীগ পরিবারের সন্তান। এটাই আমার বড় পাওয়া। আমি গত ৩ বছর যাবৎ
আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে জনগনের সাথে কাজ করে আসছি। বরই পরিতাপের বিষয় গত
০২/১০/২০২০ ইং তারিখ বিএনপির সাবেক প্রভাবশালী নব্য আওয়ামী-লীগের সমর্থীত ক্যাডার বাহিনী আমাকে নির্বাচন থেকে সরে
দাড়ানোর জন্য অপহরন করে নিয়ে অমানুষিক ভাবে শারিরীক ও মানসিক ভাবে নির্যাতন করে এবং মুক্তিপনের শর্তে মুক্তি দেয়। যাহার
মামলা চলমান। মামলা নং ১/১৬৪ (আম)।
এ সময় তিনি আরো বলেন, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়ন অসাংগঠনিক প্রার্থী সুলতান মাহামুদকে নৌকার প্রতিক
দেয় যাহার প্রাপ্ত ভোট ৫১৪, বিদ্রোহী প্রার্থী মাহাবুবুর রহমান জাফর (চশমা মার্কা) ভোট পায় ৪৮৮ এবং আর একজন আওয়ামী-
লীগের সতন্ত্র প্রার্থী হুমায়ুন কবির (মটর সাইকেল মার্কা) ভোট পায় ১৫০১। যাহা আওয়ামী-লীগের জন্য দুঃখজনক অবস্থান।
এমতাবস্থায় সাধারণ জনগনের কাছে গ্রহনযোগ্য ব্যক্তিকে যেন দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয় এবং আমার উপরল্লেখিত বিষয়গুলো
বিবেচনা করে ইউনিয়ন আওয়ামী-লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা আওয়ামী-লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা
আওয়ামী-লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক মহোদয়দের কাছে বিনীত অনুরোধ যাহাতে মনোনয়ন তালিকায় আমার নাম পাঠানো হয়
এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মমতাময়ী মা জননেত্রীর সু-দৃষ্টি কামনা করছি।