শিরোনাম

বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতিতে উদ্বেগ ব্রিটেনের

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: নভেম্বর ২২, ২০২০ ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
Print Friendly and PDF
Spread the love

বাংলাদেশের সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ব্রিটেন। বাংলাদেশসহ ৩০টি দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দফতর (ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস) থেকে দেয়া এক মিনিস্ট্রিয়াল বিবৃতিতে এই উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এতে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটারদের ব্যাপকভিত্তিক ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং বিরোধী দলীয় একজন প্রার্থীর ওপর আক্রমণের অভিযোগ উঠেছে। এই নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করায় বাংলাদেশ সরকার ব্রিটেনসহ অন্যান্য দেশের কূটনীতিকদের সমালোচনা করেছে।
স্থানীয় মানবাধিকার সংস্থাগুলোর বরাত দিয়ে এতে বলা হয়, বছরের প্রথম ছয় মাসে অন্তত ১৫৮টি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অব্যাহতভাবে ক্ষুণœ হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের নেয়া পদক্ষেপের সমালোচনা করায় এ সময় ৩৮ জন সাংবাদিককে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আটক করা হয়েছে। একই আইনে স্বাস্থ্যকর্মীসহ চার শতাধিক মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মার্চে বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া সরকারের সিদ্ধান্তে ছয় মাসের জন্য কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
বিবৃতিতে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ায় সরকারের প্রশংসা করা হয়েছে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশ প্রশংসনীয়ভাবে কক্সবাজার জেলায় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়া অব্যাহত রেখেছে।
এপ্রিল ও মে মাসে বাংলাদেশ সরকার বঙ্গোপসাগরে ভাসমান রোহিঙ্গাবোঝাই কয়েকটি নৌকা উদ্ধার করেছে। কিছু শরণার্থীকে ভাসানচরে নেয়া হয়েছে। কক্সবাজারের আশ্রয়শিবির থেকে শরণার্থী স্থানান্তরের জন্য সরকার বঙ্গোপসাগরের ওই দ্বীপটিতে অবকাঠামো গড়ে তুলছে। ভাসানচরের নিরাপত্তা ও সুবিধাগুলো পর্যালোচনার লক্ষ্যে স্বাধীন ও সমন্বিত কারিগরি এবং সুরক্ষা মূল্যায়নের জন্য ব্রিটেন ও অন্য অংশীদাররা সরকারকে আহ্বান জানিয়ে যাচ্ছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরগুলোতে ইন্টারনেট সুবিধার বিধিনিষেধ অব্যাহত রয়েছে। এতে করোনা সম্পর্কিত স্বাস্থ্যসেবা ও মানবিক সহায়তাকার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।