শিরোনাম
বাবুগঞ্জ রহমতপুর ইউনিয়নের বিশিষ্ট ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর( মহিষাদী দোয়ারিকা সেতু) রক্ষার্থে সন্ধ্যা নদীর রক্ষা ও বাদ ড্রেজিং প্রকল্প কতৃক রেকর্ডিও ফসলি জমি, গাছের বাগান, মেসার্স বারেক মাস্টার সমন্বিত মাছের খামার, যাহার লাইসেন্স নং১১৪৮ ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে কেটে ফেলার অভিযোগে (মহিষাদি) ঢাকা বরিশাল মহাসড়কে মানববন্ধন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্পের ম্যাপ অনুযায়ী নদী খনন করার নিয়ম ছিল নদীর মধ্যে ৬২৫মিটার। কিন্তু পানি উন্নয়ন বোর্ড ম্যাপ এর উত্তরে জেল নং ৩০, মৌজা, এস, এ, খতিয়ান নং ৫৯,১৫৫,১৫৬,১৫৭ ২২০,১১২,১৪৮,১৭২,১২৪,২০০,২০১,৭৪, ১১৯,১২২,১২৩, ১২০,১২১,১৮৮,২৮০,২৮১,২৮২, ভিতরে প্রবেশ করে তারা আমাদের প্রায় ১০কোটি টাকার ও বেশি ক্ষতি করেছ৷ এতে মহিষাদী গ্রামের প্রায় ১শ টি পরিবারের প্রায় ১৫ একর জমির কোন প্রকার ক্ষতিপূরণ বা নোটিশ ছাড়াই কর্তন করা হয়েছে। উক্ত মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক হাওলাদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল বারেক হাওলাদার, কালাম মাস্টার, মোঃ নজরুল ইসলাম, হোসেন হাওলাদার, নুরুল ইসলাম হাওলাদার, আনোয়ার হোসেন, দুলাল হাজি, আব্দুস সালাম, প্রমুখ
বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারেক মাস্টার এর ছেলে মোঃ নুরুল বাসার সোহেল বলেন, আমার মাছের খামার ছিল সেখানে প্রায় এক কোটিরও বেশি রেনু ছিল এবং ঘেরের চার পাশে অনেক বড় বড় গাছ ছিল তা আমাদের কোন প্রকার সতর্ক বা নোটিশ না করে ড্রেজার দিয়ে নদীর গর্ভে বিলীন করে দেওয়া হয়েছে অথচ এই জমির খাজনা আমরা সরকারকে দিয়ে নিয়মিত আসছি। আমরা মহিষাদীর ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ এর ক্ষতিপূরণ দাবি করছি। না হয় আমাদের প্রতি জুলুম করা হবে।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের আব্বাস মুঠোফোনে বলেন, ফসলি জমি কাটার ব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারব না। তবে এই কাজ পেয়েছে আজাদ এন্টারপ্রাইজ এবং পরিচালনা করেন মোয়াজ্জেম হোসেন।
বাবুগঞ্জ ইউএনও মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে আমরা কিছু জানিনা বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ড বলতে পারবে।