শিরোনাম
ঢাকার সাথে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোর যোগাযোগের অন্যতম প্রধান রুট দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে নদী পারাপারের অপেক্ষায় পাঁচ শতাধিক ট্রাক আটকা পড়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটের জিরো পয়েন্ট হতে দৌলতদিয়া-খুলনা মহাসড়কে দুই শতাধিক এবং গোয়ালন্দ মোড় থেকে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কে তিন শতাধিক ট্রাক নদী পারের অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে। এর ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন চালকরা। কারণ গোয়ালন্দ মোড় থেকে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কে আটকে থাকা স্থানে নেই টয়লেট, গোসল, খাবারসহ অন্যান্য সুবিধা। এসব যানবাহনের মধ্যে বেশিরভাগ ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান।
ট্রাক চালকরা জানান, তাদের দুর্ভোগের শেষ নেই। দিনের পর দিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা তারা এভাবে নদী পারের অপেক্ষায় সড়কে আটকে থাকেন। আর এ সমস্যা আজকের না, বহুদিনের। সমস্যা সমাধানে একমাত্র উপায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে একটি ব্রিজ। সড়কে আটকে থেকে তাদের লোকসান গুনতে হয় এবং সময়মত মালামাল পরিবহন করতে পারেন না।
ট্রাক চালকেরা অভিযোগ করেন, শীতে কুয়াশা, বর্ষায় প্রবল স্রোত ও গ্রীষ্মে নাব্য সঙ্কটে ঘাট এলাকায় দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এসব সমস্যা সমাধানে কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করে না।
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক মো: মাহবুব হোসেন জানান, মাওয়া ঘাট বন্ধ থাকায় দুই ঘাটের গাড়ি একসাথে দৌলতদিয়ায় পারাপারের জন্য ভিড় করছে। যার ফলে এ অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে বর্তমানে ১৮টি ফেরি চলাচল করে। দৌলতদিয়ার ৬ নম্বর ফেরিঘাটে সমস্যা থাকার কারণে ছয়টি ঘাটের মধ্যে তিনটি ঘাট দিয়ে স্বাভাবিকভাবে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ী নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক থাকলে দৌলতদিয়া প্রান্তে কোনো গাড়ি থাকতো না বলে জানান ওই কর্মকর্তা।