শিরোনাম
বরিশালের বাবুগঞ্জে উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারমান সিদ্দিকুর রহমান ইউপি সদস্যদের নাজানিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী নিয়ে গোপন সভা কয়ায় বিএনপির বাধা প্রদান।
জানা গেছে ৫ই আগস্ট আওয়ামী লীগের সরকার পতনের পর উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন পরিষদের সকল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
১৮ আগস্ট মাধবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান কিছু সংখ্যক আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদেরকে নিয়ে গোপন বৈঠকের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। এমন সংবাদ পেয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতা কর্মীরা মাধপাশা ইউনিয়ন পরিষদে গেলে আওয়ামী লীগ পন্থী নেতা কর্মীরা পালিয়ে যায়।
এ সময় বিএনপি নেতারা জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের সমর্থিত চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমানকে সতর্ক করে বলেন আপনি দীর্ঘদিন পর্যন্ত সাধারণ মানুষকে পুলিশ দিয়ে হয়রানি করে আসছেন আর কোনদিন কোন প্রকার ষড়যন্ত্র লিপ্ত হবেন না এ কথা বলে তারা চলে যান।
বিএনপি নেতাকর্মীরা চলে যাওয়ার পরে ছিদ্দিকুর রহমান নয়া কৌশল করে স্থানীয়দেরকে ডেকে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সুলতান আহমেদ খান ও তার ভাই মাধবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ওয়াহিদুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে ১০ লক্ষ টাকার চাঁদা চাওয়ার অভিযোগ করেন।
এ বিষয় বাবুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সুলতান আহমেদ খাঁন বলেন আজ সকাল ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে এক গোপন বৈঠক প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন সংবাদ পেয়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা তাতে বাধা প্রদান করে এখানে কোন প্রকার চাঁদা চাওয়ান হয়নি।বিএনপি ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই এমন অপপ্রচার চালাচ্ছেন চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান।