শিরোনাম

সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশ ও ছাত্রলীগের হামলার নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়ে বরিশাল মহানগর জামায়াতের বিবৃতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১৮, ২০২৪ ২:৩২ পূর্বাহ্ণ
Print Friendly and PDF
Spread the love

সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রলীগ ও পুলিশের হামলার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বরিশাল মহানগর জামায়াতে ইসলামী।

কোটা সংস্কারের দাবিতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর ছাত্রলীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসী ও পুলিশের বর্বরোচিত হামলায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে অবিলম্বে ছাত্রলীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, আহতদের সুচিকিৎসা, সাধারণ ছাত্রদের ন্যায্য দাবী মেনে নেয়ার দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য ও বরিশাল মহানগরী আমীর অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মু. বাবর ও মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা মতিউর রহমান এক বিবৃতি প্রদান করেন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, গত ১৬ জুলাই সরকারি বিএম কলেজের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মিছিলে ছাত্রলীগ হামলা করার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে সহিংসতা দিকে ঠেলে দিয়েছে, এরপরে দফায় দফায় হামলা করেছে পুলিশ ও ছাত্রলীগ। আজকে ১৭ জুলাই শিক্ষার্থীদের গায়েবানা জানাজা কর্মসূচিত বাস্তবায়ন করতে না দিয়ে পুলিশ অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। পুলিশের টিয়ারসেল ও রাবার বুলেটের আঘাতে অসংখ্য শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার জন্য সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীবর্গ, আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের উস্কানিমূলক বক্তব্যই দায়ী।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, কোটা সংস্কার ইস্যু একটি অরাজনৈতিক বিষয়, কিন্তু সরকারের বিভিন্ন দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ রাজনৈতিক বক্তব্য দেয়ার মাধ্যমে এই ইস্যুটাকে একটি রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে দাঁড় করিয়েছে। তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের আবেগ নিয়ে খেলা করছেন এবং এর মাসুল দিচ্ছে সাধারণ জনগণ। তারা বরিশালের নথুল্লাবাদ এলাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপরে গুলি বর্ষণ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ ও লাঠিপেটার তীব্র নিন্দা জানান এবং অনতিবিলম্বে এই কার্যক্রম বন্ধের অনুরোধ করেন। নেতৃবৃন্দ জোর দিয়ে বলেন, যেসব ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপরে এ ধরনের ন্যাক্কারজনক হামলা চালিয়েছে তাদের দ্রুত গ্রেফতার এবং শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা ও যে সমস্ত অতি উৎসাহী পুলিশ তাদের পেশাদারিত্বের পরিচয় না দিয়ে নিরীহ ছাত্রদের উপরে জুলুম করেছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।