শিরোনাম

আমতলীতে ৩ দিনে ১০৯ জন করোনা টিকা নিয়েছেন

মো: রেজাউল করীম আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১ ৫:৩৩ অপরাহ্ণ
Print Friendly and PDF
Spread the love

 

 

দেশব্যাপী মহামারী করোনাভাইরাস কোভিড ১৯ টিকা প্রদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। গত
৩দিনে বরগুনার উপজেলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে এ পর্যন্ত ১০৯ জন ব্যক্তি টিকা গ্রহন করেছেন।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে, গত রবিবার (৭ ফেব্রæয়ারি) দুপুর ১২টায় উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্স টিকাদান কেন্দ্রে নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান টিকা গ্রহন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। ওই
দিন সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধিত সচেতন নাগরিক হিসেবে প্রথম ব্যক্তি মিল্টন খানসহ ৯ ব্যক্তি করোনা টিকা গ্রহন করেন। তবে
কোভিড ১৯ টিকা গ্রহনে সাধারণ মানুষের অনাগ্রহ লক্ষ করা গেছে। কারণ হিসাবে টিকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ঘটতে পারে
এমন শঙ্কায় নিবন্ধিত ব্যক্তি ও স্বাস্থ্য কর্মীসহ অন্যান্য ব্যক্তিরা প্রাথমিক পর্যায়ে টিকা নিতে ভয় পাচ্ছেন। এছারাও টিকা
নিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর ব্যাপক প্রচারনা না থাকায় অনেক সাধারণ মানুষ সুরক্ষা অ্যাপ ব্যববহারে উৎসাহিত হচ্ছেন না। এ
কারনেন টিকা গ্রহনে নিবন্ধিত হতে পারছে না অনেক মানুষ।
গত ৩ দিনে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৭১ জন টিকা গ্রহনের জন্য সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধন করেছেন। এদের মধ্যে রবিবার ৯
জন, সোমবার ৩০ জন ও আজ মঙ্গলবার ৭০ জন কোভিড ১৯ টিকা গ্রহন করেছেন।
টিকা নেওয়া সম্পর্কে বিভিন্ন শ্রেণী পেশা ও সাধারণ মানুষের সাথে আলাপ করে জানাগেছে, তারা এখনই এই করোনার
টিকা গ্রহন করতে চান না। টিকা গ্রহনের পর কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ঘটে কিনা এমন শংকার কারনেই তারা প্রাথমিক
পর্যায়ে টিকা গ্রহণে অনাগ্রহ প্রকাশ করছেন।
উপজেলা সদরের তৈরী পোষাক বিক্রেতা ব্যবসায়ী জাহিদুল ইসলাম জুয়েল বলেন, আমরা সাধারণ মানুষ কয়েকদিন পরে টিকা গ্রহণ
করবো। চাওড়া চন্দ্রা গ্রামের মোসলেম মিয়া বলেন, মোরা গ্রামের খেটে খাওয়া গরীব মানুষ। দেশের বড় বড় লোকেরা আগে
টিকা গ্রহণ করুক। তারপর মোরা টিকা গ্রহন করার জন্য নিবন্ধন করবো। প্রথম দিনে কোভিড ১৯ টিকা গ্রহনকারী পৌর
কাউন্সিলর মোয়াজ্জেম হোসেন ফরহাদ বলেন, আমি প্রথম দিনেই টিকা গ্রহণ করেছি। আমার শরীরে এখন পর্যন্ত কোন পার্শ্ব
প্রতিক্রিয়া লক্ষ করছিনা। আমাদের সকলের উচিত এই টিকা গ্রহণ করা। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শংকর
প্রসাদ অধিকারী বলেন, গত ৩ দিনে এ উপজেলার ১০৯ জন করোনা টিকা নিয়েছেন। ২য় দিনে আমিসহ আমাদের হাসপাতালের
অধিকাংশ স্বাস্থ্য কর্মীরা টিকা গ্রহন করেছি। তিনি আরো বলেন, এই টিকায় কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। তাই সাধারণ
মানুষের উচিৎ এখনই সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধন করে টিকা গ্রহন করা। উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র মোঃ
মতিয়ার রহমান বলেন, বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের একটি সফল উদ্যোগ কোভিড ১৯ টিকা প্রদান। টিকা গ্রহন করতে
সকলকে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষে সুরক্ষা অ্যাপ ব্যবহার করে সকলকে এই টিকা গ্রহন করার জন্য অনুরোধ করছি।