শিরোনাম
বাবুগঞ্জে পরিত্যক্ত পলিথিন-প্লাস্টিক-টায়ার থেকে কালি ও তেল উৎপাদন
সন্ধ্যা নদীর তীরে দোয়ারিকা এলাকায় পরিত্যক্ত অপচনশীল আবর্জনা, পলিথিন, প্লাস্টিক,টায়ার ব্যবহার করে কালি ও তেল উৎপাদন করছে পায়রা রিসাইক্লিং প্লান্টে নামের একটি প্রতিষ্ঠান। যেখানে প্রায় ৫০ জন শ্রমিক কাজ করেছেন। এ কার্যক্রমের ফলে একদিকে পরিবেশ যেমন বিপর্যয় থেকে রক্ষা পাচ্ছে, অপরদিকে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের মালিক মোঃ মিজানুর রহমান
বলেন, সমস্ত সরকারি বৈধ কাগজপত্র ,পরিবেশ অধিদফতর ও ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র, কলকারখানা অধিদপ্তরের লাইসেন্স ,ফ্যাক্টরি লাইসেন্স নিয়ে‘টায়ার গলিয়ে কালো ধোঁয়া আটকে তা থেকে কালি তৈরি করা হয়। এটি কম্পিউটারের কালি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও টায়ারের অবশিষ্টাংশ থেকে তাঁর বের হয়। সেটি রড ফ্যাক্টরিতে সরবরাহ করা হয়। এতে করে বিভিন্ন এলাকার আবর্জনা অপসারণের পাশাপাশি ৫০ জন শ্রমিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
এছাড়া জমিসহ বিভিন্ন স্থানে পলিথিন জমে যে পরিবেশ বিপর্যয়ের সৃষ্টি হতো, তা থেকেও রক্ষা পাওয়া যাচ্ছে।’পুরাতন টায়ার ও শিল্প কারখানার জুট ব্যবহারের মাধ্য উৎপাদ করায় দূষণের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে পরিবেশ।
সরকারি সহায়তা পেলে ও সরকারিভাবে রিসাইক্লিং তেল বিক্রির বাজার তৈরি করা হলে এখান থেকে মুনাফা অর্জন করা সম্ভব। বড় আকারে তেল উৎপাদন করা গেলে বিদেশে রপ্তানি করে রেমিট্যান্স বৃদ্ধি করা সম্ভব।
ফ্যাক্টরির শ্রমিকরা বলেন, কারখানাটি গড়ে ওঠায় আমাদের মতো গরিব মানুষের উপকার হয়েছে। আমরা ৪০/৫০ জনের মতো শ্রমিক এখানে কাজ করি। পলিথিন ও টায়ার প্রসেস করে মেশিনের সাহায্যে তেল, কালি ও তাঁর উৎপাদন করা হয়। এ থেকে যে মজুরি পাই তা দিয়ে সংসার চলে। ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার খরচসহ সবকিছু ভালোভাবে চলে। এ ধরনের কারখানা আরও গড়ে ওঠা দরকার।
এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার ও সমাজ সেবক মোয়াজ্জেম হোসেন বাদশা বলেন পরিত্যক্ত টায়ার রিসাইক্লিং করে ওই কারখানায় প্লাস্টিকের আবর্জনা এবং পুরোনো টায়ার থেকে তেল ও কালি উৎপাদন করা হয়। এতে বেশ কিছু লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আশা করি, এটি ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু করবে।’আমাদের উচিত সকলকে এই উদ্যোক্তাকে সহযোগিতা করা, কিন্তু তা না করে কিছু কুচক্রীমহল আমাদের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে যেটি দুঃখজনক।
এ বিষয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ফারুক আহমেদ বলেন এ উদ্যোক্তা যদি সরকারি আইন-কানুন মেনে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন তাহলে তাকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে
।