শিরোনাম
বরিশাল বাবুগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ তিনজনকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে।
আহাতোরা হলেন কুয়েতপুরবাসী ছাত্রদল নেতা ইমরানের স্ত্রী আফরোজা আক্তার, শাশুড়ি হালিমা বেগম,ও ছাত্রদল নেতা সাকিবুল হাসান।
স্বজনরা তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার রাতে বাবুগঞ্জ থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তরা হল তরিকুল ইসলাম ,মোসাঃ আকলিমা ,ইউসুফ দুয়ারি, সরোয়ার দুয়ারি , মোসাঃ মুন্নি সহ অজ্ঞাতনামা আরো ৭/৮ জন।
এজাহার থেকে জানা গেছে, বাবুগঞ্জ কেদারপুর ইউনিয়নের পূর্ব ভূতের দিয়া গ্রামের মোঃ মোতাহার হোসাইন মাজি, সঙ্গে জমি নিয়ে তরিকুল ইসলাম মাঝি,ইউসুফ দুয়ারি পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল।
৩ জুলাই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা অনুমান ০৭.৩০ ঘটিকার
মোঃ মোতাহার হোসাইন মাঝির ঘরের উত্তর পার্শ্বে চলাচলের রাস্তার মাটি জোর পূর্বকভাবে একদল সন্ত্রাসী নিয়ে তরিকুল ইসলাম মাঝি,ইউসুফ দুয়ারি পরিবারের লোকজন কেটে নিয়ে তাদের জায়গা ভরাট করার সময় হালিমা বেগম বাধা প্রদান করলে লাঠিসোঁটা নিয়ে অতর্কিত
হামলা চালায়। তাঁকে এলোপাতাড়ি পেটাতে শুরু করে। দৌড়ে ঘরে ঢুকে আত্মরক্ষার চেষ্টা করলে হামলাকারীরা সেখান থেকে টেনেহিঁচড়ে শ্লীলতাহানী চেষ্টা করে । এ সময় আফরোজা আক্তারের মামাতো ভাই
সাকিব দৌড়াইয়া ঘটনাস্থল আসলে ধারালো রাম দাঁ দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যের তার মাথা লক্ষ্য করে কোপ দিলে কোপ তার মাথায় লেগে গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম হয়।
এতে হালিমা বেগম এর ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে আফরোজা আক্তার বাধা দিলে তার পেটে থাকা অনাগত সন্তানকে হত্যার করার উদ্দেশ্যে লাথি মারলে লাথির আঘাতে মাটিতে পরে যায় ,এসময় তাকে মারধর করে গলায় থাকা ১২ আনা স্বর্নের চেইন যাহার আনুমানিক মূল্য- ১,০০,০০০/-(এক লক্ষ টাকা) ছিড়ে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়।
এ সময় স্বজনরা গুরুতর আহত অবস্থায় তিনজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ বিষয়ে কথা বলতে তরিকুল ইসলাম মাঝি,ইউসুফ দুয়ারি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাদেরকে পাওয়া যায়নি।
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি জহিরুল আলম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।