শিরোনাম

উজিরপুরে গভীর রাতে দিনমজুরকে কুপিয়ে জখম

বিশেষ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৩, ২০২৪ ১০:৩৮ অপরাহ্ণ
Print Friendly and PDF
Spread the love

 

বরিশাল জেলার উজিরপুরে গভীর রাতে এক দিনমজুরকে হত্যার উদ্দেশ্যে উপর্যুপুরী কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে দূর্বৃত্তরা। সোমবার (২ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ২ টার দিকে উপজেলার বামরাইল ইউনিয়নের ঘন্টেশ্বর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়- উপজেলার বামরাইল ইউনিয়নের ঘন্টেশ্বর গ্রামের মৃত জয়নাল হাওলাদারের ছেলে মোঃ নুরুল ইসলাম হাওলাদার(৫৫) ও তার স্ত্রী জিয়াসমিন বেগম(৪৫), মেয়ে ইতি আক্তার, ঐশী আক্তার সোমবার প্রতিদিনের ন্যয় রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। এরপর রাত ২ টার দিকে দিনমজুর নুরুল ইসলাম হাওলাদার প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে দরজা খুলে বাহিরে বের হয়। এরইমধ্যে ওৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে রামদা দিয়ে পরিকল্পিত ভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে নুরুল ইসলামের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তার হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এসময় দিনমজুর নুরুল ইসলাম হাওলাদারের স্ত্রী জিয়াসমিন বেগম বাঁধা দিলে তাকেও মারধর করে। হামলার টের পেয়ে আহতের মেয়ে ইতি আক্তার ঘরের পিছনের দরজা খুলে দৌড়ে বের হয়ে আশেপাশের লোকজনকে খবর দেয়। স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে আসার টের পেয়ে হামলাকারীরা দিনমজুর নুরুল ইসলামকে পরবর্তীতে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকী দিয়ে পালিয়ে যায়। আহতকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে উজিরপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়। অবস্থা বেগতিক দেখে কর্তব্যরত ডাঃ তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

এ ব্যপারে আহতের স্ত্রী জিয়াসমিন বেগম জানান, আমার স্বামীকে হত্যা করার জন্য পরিকল্পিত ভাবে ৩/৪ জন দূর্বৃত্তরা রামদা দিয়ে কুপিয়েছে। আমি এর বিচার চাই। আমার সন্তানদের নিয়ে আতঙ্কে রয়েছি।

হামলার ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উজিরপুর মডেল থানার এসআই আলমগীর হোসেন ও এএসআই জাহিদ হোসেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলা হয়নি।

উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুস সালাম জানান- খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এদিকে ওই হামলাকারীদের সনাক্ত করে অচিরেই গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন আহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।