শিরোনাম
ভোলায় নির্মাণাধীন প্রকল্পের ছাদ ধস!
নিম্নমানের সামগ্রী ব্যাবহারের অভিযোগ।
। ভোলায় নির্মানাধীন সুইমিংপুলের ছাদ ধসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি শনিবার (৬ জুলাই) বিকেল ৪টার সময় ভোলা সরকারি বালক স্কুলের খেলার মাঠে ঘটেছে। এই ঘটনায় কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
সুত্রমতে, ভোলা জেলাস্থ গজ্নবী স্টেডিয়াম এর অধিকতর উন্নয়ন, ইনডোর স্টেডিয়াম এবং সুইমিং পুল নির্মাণ কাজের আওতায় ২০২১-২২ অর্থবছরে জিও বি প্রকল্পের মাধ্যমে যুবক ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৯ কোটি ৬৭.৭৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ভার নির্ধারণের মধ্য দিয়ে টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাজটি পায় রাশেদুজ্জামান টোটাল ইঞ্জিনিয়ারিং এসএ খান (জিবি) কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
দুই বছরের সময় সীমার মধ্যে কাজটি শেষ করার কথা থাকলেও ৪ বছর পেড়িয়ে গেলেও প্রকল্পের কাজ শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মের্সাস জিবি কনস্ট্রাকশন।
শুরুতেই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ভবনের কাজ শুরু করে ছাদ ঠালাইয়ের কাজেও অপরিপক্ক বাঁশ ও কাঠ সমগ্রী ব্যাবহার করে সেন্টারিং এর কাজ শেষ করে দীর্ঘ ৬ মাস পূর্বে । ৬ মাস পর গত ৬ জুলাই শনিবার সেন্টারিং এর ঠালাই হলে বিকাল ৪ টার সময় তা ধসে পড়ে। কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি হওয়ার কারনেই এই ঘটনা ঘটেছে।
এ ব্যাপারে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাশেদুজ্জামান -টোটাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর সাইটে দায়িত্বশীলদের সাথে কথা বললে তারা জানান, এরকম ঘটনার জন্য আমরা কিছুটা শঙ্কিত, কারণ নির্মাণ সময়ে ২০ জন শ্রমিক উপরে ওঠে কাজ করেছিলো, তখন কোন ধরনের দূর্ঘটনার লক্ষণও ছিলো না৷ কিন্তু ৩ ঘন্টার পর এমনটি কেনো হলো তার সঠিক দিতে পারেনি তারা। নিস্মমানের সামগ্রী ব্যাবহারের বিষয়টি জানতে চাইলে তারা এড়িয়ে গিয়ে এই প্রতিবেদক কে বিভিন্নভাবে ম্যানেজার করার চেষ্টা করেন।
ভোলার সচেতন মহল মনে করন, প্রতিটি কাজে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ নজরদারি না থাকায় একের পর এক অনিয়ম আর দুর্নীতি হচ্ছে।