শিরোনাম
বরিশাল বাবুগঞ্জ উপজেলা ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামে প্রতিবেশীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
শুক্রবার( ১২ সেপ্টেম্বর ) ভুক্তভোগী পরিবার সাংবাদিক দের কাছে এ অভিযোগ করেন।
অভিযোগে ভুক্তভোগী পরিবার বলেন ,বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের ফরিদ আহমেদ বাচ্চু মল্লিক ৫ এপ্রিল নিজের বসত বাড়ি শ্রমিক নিয়ে ঘরের চালা দিতে গিলে প্রতিপক্ষ প্রতিবেশী মামুন ফকির (৩৫), কাওসার ফকির (৩৫), পলাশ ফকির(২৮), মাহবুব (৪০) কাউসারের স্ত্রী মরিয়ম ( পুলিশ) এর উপস্থিতিতে
বাচ্চু মল্লিক এর গোয়াল ঘর ও পাকঘরে ভাংচুর চালায়। এসময় বাচ্চু মল্লিক বাড়িতে না থাকায় বাচ্চু মল্লিকের স্ত্রী মুক্তা বেগমকে মারধর করে প্রতিপক্ষরা।
ভুক্তভোগী বাচ্চু মল্লিক বলেন, প্রতিপক্ষ কাওসার এর স্ত্রী বরিশাল এয়ারপোর্ট থানায় চাকরি করার সুবাধে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে আমাদের ঘর ভাংচুর চালিয়ে উলটো কাউসার এর মা ফেরদৌসী বেগম বরিশাল এয়ারপোর্ট থানায়, মোহাম্মদ বাচ্চু মল্লিক ও ছেলে আমান মল্লিক সহ পাঁচজনকে আসামি করে মিথ্যা মামলা দায়ের করে আমাদেরকে হয়রানি করছেন।
অথচ আমাদের বাড়ি ঘর ভাঙচুরের ঘটনা নিয়ে এয়ারপোর্ট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি অভিযোগ দায়ের করলেও কোন তদন্ত না করে উল্টো পুলিশ আমাদেরকে ধরে কোটে চালান করে।
তিনি আরো বলেন আমার বাপ দাদা থেকে পূর্বপুরুষ এই বাড়িতে বসবাস করে আসছে, কিন্তু এই জমির উপর কাশেম ফকিরের দৃষ্টি পড়ায়,এক ওয়ারিেশ এর কাছ থেকে কিছু জমি ক্রয় করে, ভোগ দখল করে আসছেন, কাউসারের স্ত্রী মরিয়ম নিজ এলাকার এয়ারপোর্ট থানায় পুলিশের কনস্টেবল পদে চাকরি করার সুবাদে পুলিশের প্রভাব খাটিয়ে কিন্তু কিছুদিন যাবত এই জমি থেকে আমাদেরকে তাড়িয়ে দিতে নানারকম ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছেন।
এ নিয়ে স্থানীয়রা একাধিকবার সালিশি করলেও কোন শালিশীকে তোয়াক্কা না করে তারা তাদের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।
বাসু মল্লিক বলেন থানায় অভিযোগ দিয়ে কোনো সুরাহা পাইনি। আমরা মিথ্যা মামলার হয়রানি থেকে মুক্তি চাই।
এ বিষয় অভিযুক্ত কাওসার ফকির এর সাথে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।