শিরোনাম
বাবুগঞ্জ দক্ষিণ চরহোগলপাতিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার লাইব্রেরিতে বই না থাকা স্বত্ত্বেও সহকারি গ্রন্থগারিক কাম ক্যাটলিগার পদে টাকার বিনিময়ে পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দেয়ায় অভিযোগে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল বাবুগঞ্জ সহকারি জজ আদালতে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মুহাম্মদ মুখতার হুসাইন মামলাটি দায়ের করেন। আদালতের বিচারক মোঃ আতিকুজ্জামান মামলাটির আদেশ দানে পরবর্তী দিন ধার্য্যরে নির্দেশ দেন। মামলায় অভিযুক্ত অন্যান্যরা হলেন মাদ্রাসা সুপার/ সদস্য সচিব, বিদ্যেৎসাহী সদস্য কবির উদ্দিন, দাতা সদস্য চুন্নু সিকদার, অভিভাবক সদস্য আবুল কালাম, আলী হোসেন, মিজানুর রহমান ও সুপিয়ান, সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক সদস্য নুরজাহান বেগম, সাধারন শিক্ষক সদস্য মজিবুর রহমান ও মনিরুজ্জামান, সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক সদস্য সুমাইয়া। এছাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, নির্বাহী অফিসার, জেলা শিক্ষা অফিসার, মাধ্যমকি ও উ”চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বরিশাল অঞ্চলের উপ পরিচালক, জেলা প্রশাসক, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা পরিচালক ও উপ পরিচালক (প্রসাশন), কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিদর্শক ও সহকারি প্রকল্প পরিচালক তাইমুর রহমান এবং প্রকল্প পরিচালক (উপ সচিব), বাবুগঞ্জ রুপালি ব্যাংক আগরপুর শাখার ব্যব¯’াপক, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও রেজিষ্ট্রার, অবৈধপথে নিয়োগপ্রাপ্ত বাবুগঞ্জ পূর্ব কেদারপুরের মাসুম বিল্লাহ। মামলা পরিচালনাকারি আইনজীবী আজাদ রহমান, বাবুগঞ্জ দক্ষিণ চরহোগলপাতিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় সহকারি গ্রন্থগারিক কাম ক্যাটলিগার পদে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে কোন প্রকার মিটিং ছাড়া, অতিগোপনে পেপার বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পছন্দের প্রার্থী নিয়োগ দেয়া হয়। এছাড়া নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান দেখাতে লোক দেখানো ছয়টি দরখাস্ত পাওয়ার বাহানা করা হয়। মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মুহাম্মদ মুখতার হুসাইনের অগোচরে নিয়োগ প্রক্রিয়া করায় তিনি কমিটির কাছে জানতে চান লাইব্রেরিতে ৫ খানা বই নাই অথচ সহকারি গ্রন্থগারিক কাম ক্যাটলিগার পদে কেন লোক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। এছাড়া তিনি নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নোটিশ বোর্ডে টানিয়ে দেয়ার জন্য বলেন। কিন্তু কমিটির সদস্যরা প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের কথায় কর্ণপাত না করে ওই নিয়োগে উচ্চ আদালতের থাকা স্থগিতাবস্থায় মাদ্রাসা সুপার ডিজির প্রতিনিধিকে আনার জন্য দরখাস্ত করেন। এতে গত ৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মহা পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ১৫ ডিসেম্বর মহা পরিচালক ওই পদে নিয়োগ বোর্ডের প্রতিনিধি মনোনয়ন দেন। মনোনয়ন দেয়ার পর ২০ ডিসেম্বর ২য় বারের মতো আপত্তি জানালে ২৫ ডিসেম্বর অবৈধ উপায়ে মাসুম বিল্লাহকে নিয়োগ দিতে সাজানো প্রার্থীদের নিয়ে ইন্টারভিউর বাহানা করা হয়। পরে খোজ নিয়ে যায় ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে মাসুম বিল্লাহকে নির্বাচিত করা হয়। এঘটনায় মামলাটি দায়ের করলে বিচারক ওই নির্দেশ দেন।