শিরোনাম
উপজেলাসহ পার্শবর্তী থানাগুলোর মধ্যে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও শীর্ষ সন্ত্রাসী শহিদ প্যাদাকে গ্রেফতার করায় এলাকাগুলোতে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান থেকে বাঁচতে বাড়ীর চারপাশ সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করে ও ঘরের মধ্য সুরঙ্গ তৈরি করে মাদক ব্যবসায় সম্রাট হয়ে ওঠে সহিদ প্যাদা। দিন দিন এই জনপদের আতংকে পরিনত হয় তিনি।
৫ আগষ্টের পর লুটপাটসহ বিভিন্ন অভিযোগ আসতে থাকে তার বিরুদ্ধে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানাযায়, তার নিজ ইউনিয়ন জাহাঙ্গীরসহ বাবুগঞ্জের আতংকের নাম শহিদ প্যাদা। তাকে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ গ্রেফতার করায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।
১২ ডিসেম্বর মীরগঞ্জ ট্রলার ঘাট এলাকায় ড্রেজার লুটের সময় ৩ জনকে কুপিয়ে আহত করে শহিদ প্যাদা।
ওই ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় তাকে ১৫ ডিসেম্বর রাতে গ্রেফতার করে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ। মামলা নং-১১।
থানাসূত্রে জানাযায়, ডিএসবির চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী তালিকায় বাবুগঞ্জ থানায় এক নাম্বারে তার নাম আছে। মাদক ব্যাবসায়ী তালিকায় তার নাম ০৯ ( নয়) নম্বরে রয়েছে ।
এছাড়াও শহিদ প্যাদার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মোট ১২ টি মামলা রয়েছে।
বাবুগঞ্জ থানার ওসি শেখ মো. আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তার ২ স্ত্রীর বিরুদ্ধেও মামলা রয়েছে। ড্রেজার লুটপাট করে কয়েকজনকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
এদিকে শহিদ প্যাদার স্ত্রী সানজিদা আফরিন তার স্বামীকে নির্দোষ দাবী করে অন্যায় ভাবে গ্রেফতারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে।