শিরোনাম
বাবুগঞ্জ উপজেলায় কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মিদের বাড়ি বাড়ি তল্লাশির নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানাযায় কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বাবুগঞ্জ উপজেলায় এয়ারপোর্ট থানা এলাকায় গত ছয় দিনে ৩০ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন।
বিএনপির আহবায়ক সুলতান আহমদ খান বলেন, বরিশালে কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে যে সংঘর্ষ-ভাঙচুর হয়েছে, এর কোনোটির সঙ্গেই বিএনপি কিংবা সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের কোনো যোগসূত্র নেই। অথচ এসব ঘটনায় দায়ের করা মামলায় পুলিশ বিএনপির নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করছে।
বরিশাল এয়ারপোর্ট থানায় দুইটি অঞ্জাত দুটি মামলা দায়ে করেছে সেই মামলা পুজি করে পুলিশ সাধরন মানুষকে ধরে রমরমা বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। এঘনায় সাধারন মানুষদের মাঝে আতংক বিরাজ করছে।
পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, চলমান সহিংসতার অভিযোগে বাবুগঞ্জ উপজেলার এয়ারপোর্ট থানায় মোট ২টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি না থাকলেও অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এসব মামলায় শুক্রবার পর্যন্ত ৩০ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন।
এয়ারপোর্ট থানার ওসি বলেন, ‘নাশকতার সঙ্গে যাঁরাই জড়িত ছিলেন, তাঁদেরকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।